কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার একটি গ্রামে বসতঘরের দরজা ভেঙে এক নারীকে (২৫) ধর্ষণের অভিযোগে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ রোববার (২৩ জুন) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা পুলিশ সুপার নাজির আহমেদ খান।
পুলিশ জানায়, গত বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে ফজর আলী (৩৮) নামের এক ব্যক্তি ভুক্তভোগী নারীর বাবার বাড়িতে গিয়ে দরজা খুলতে বলেন। তিনি অস্বীকৃতি জানালে, দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে ওই নারীকে ধর্ষণ করেন। পাশের বাড়ির লোকজন শব্দ শুনে এগিয়ে গিয়ে দরজা ভাঙা অবস্থায় উদ্ধার করে। এসময় কিছু লোক নারীকে মারধর করে এবং ভিডিও ধারণ করে।
পরে ফজর আলীকে মারধর করে হাসপাতালে পাঠানো হলে সেখান থেকে পালিয়ে যান। আজ ভোরে তাঁকে ঢাকার সায়েদাবাদ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ছাড়া ধর্ষণের ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে আরও চারজন — মো. সুমন, রমজান আলী, মো. আরিফ ও মো. অনিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এদের সবার বাড়ি মুরাদনগর উপজেলায়।
ভুক্তভোগী নারী জানান, ১৫ দিন আগে স্বামীর বাড়ি থেকে বাবার বাড়িতে সন্তানদের নিয়ে বেড়াতে আসেন। ঘটনার পর তিনি মুরাদনগর থানায় মামলা করেন। তার ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে।
মামলার এজাহারে ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণ, তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়াসহ একাধিক অভিযোগ আনা হয়েছে।
এদিকে ঘটনার একটি ভিডিও শনিবার রাতে ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়।
মুরাদনগর থানার ওসি জাহিদুর রহমান বলেন, “মামলা দায়েরের পর পুলিশ অভিযানে নামে। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ভুক্তভোগী নারীর মেডিকেল পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা চলমান রয়েছে।”


