দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ফের ঊর্ধ্বমুখী। আজ শনিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ১৩৯টি নমুনা পরীক্ষায় নতুন করে ৭ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। তবে এ সময়ে করোনায় কারও মৃত্যু হয়নি। চলতি জুন মাসে এখন পর্যন্ত ১০৪ জন আক্রান্ত হয়েছেন।
দেশে করোনার প্রকোপ মে মাস থেকে বাড়ছে। ইতিমধ্যে বাংলাদেশে করোনার নতুন ধরন এক্সএফজি ও এক্সএফসি শনাক্ত হয়েছে, যা ওমিক্রনের জেএন-১ উপধরনের অংশ। এর পাশাপাশি পার্শ্ববর্তী ভারতসহ বিভিন্ন দেশে দ্রুত ছড়িয়ে পড়া নতুন ভেরিয়েন্ট এনবি.১.৮.১ নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, নতুন এসব ধরন আগের তুলনায় সংক্রমণ ক্ষমতাসম্পন্ন। বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন, বাংলাদেশের সংক্রমণ পরিস্থিতিতেও এর প্রভাব পড়তে পারে। সর্বশেষ বৃহস্পতিবার দেশে একজনের মৃত্যুর তথ্য পাওয়া গেছে।
২০২০ সালের মার্চে দেশে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয়। দীর্ঘ তিন বছর পর ২০২৩ সালের মে মাসে WHO বৈশ্বিক জরুরি অবস্থা প্রত্যাহারের ঘোষণা দিলেও ভাইরাসটির নতুন ধরন এখনও উল্লেখযোগ্য ঝুঁকি তৈরি করছে।
বিশেষজ্ঞরা জনগণকে মাস্ক পরা, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা ও আক্রান্তদের দ্রুত শনাক্ত করে আইসোলেশনের পরামর্শ দিয়েছেন। সরকারও পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে।
👉 পাঠকদের জন্য পরামর্শ:
অপ্রয়োজনে ভিড় এড়িয়ে চলুন, মাস্ক পরুন এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন। করোনার নতুন ধরন সম্পর্কে সচেতন থাকুন।


